প্রতারণা মামলা আপিল নিম্নরূপ
মোকাম জেলা ও দায়রা জজ আদালত, নাটোর
ফৌঃ আপীল নং: /২৪
সূত্র- বড়াইগ্রাম সিনি জুডিঃ ম্যাজিঃ
সিনিঃ জুডিঃ ২য় আদালত এর মামলা নং- সি আর ২৯৮/২৩ (নাট)
ধারা- ৪২০ দঃ বিঃ যাহা গত ইং ০৭/০৭/২৪ তারিখে উক্ত আদালতে নিষ্পত্তিকৃত
| আপিলকারী মোঃ আব্দুল জব্বার পিতা- আঃ সোবাহান সাং- তেলকুপি হেজাতি পাড়া থানা ও জেলা- নাটোর | বনাম | রেসপন্ডেন্ট ১। মোঃ সেলিম কবিরাজ পিতা- মোঃ ক্যাচা কবিরাজ সাং- তেলকুপি থানা ও জেলা- নাটোর ২। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাটোর পক্ষে- পাবলিক প্রসিকিউটর নাটোর। |
মাননীয় আদালতে আপিলকারী পক্ষে বিজ্ঞ নিম্ন আদালতের গত ইং ০৭/০৭/২৪ তারিখের রায় ও আদেশ রদ রহিতের প্রার্থনা।
সম্মান পূর্বক আপিলকারী নিবেদন করেন যে, ১নং রেসপন্ডেন্ট নিম্ন আদালতে বাদী হইয়া সূত্র বর্নিত মোকদ্দমা আনায়ন পূর্বক উল্লেখ করেন যে, সম্পত্তি বন্ধক রাখিয়া ১ নং রেসপন্ডেন্ট এর নিকট হইতে আপিলকারী গত ১৬/১২/১৯ ইং তারিখে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ ) টাকা গ্রহন করে এবং তৎমর্মে ১৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে লিখিত অঙ্গীকার করেন। তৎ পরবর্তি সময়ে আপিলকারী সম্পত্তি অন্যত্র বিক্রয় করিয়া দেন এবং গত ০৫/০৫/২৩ ইং তারিখে সাক্ষিগন আপিলকারির বসত বাড়িতে উক্ত টাকা ফেরত দিবে না মর্মে অস্বীকার জবাব দিয়া ১ নং রেসপন্ডেন্টের সহিত প্রতারণা পূর্বক বিশ্বাস ভংগ করিয়াছে, ক্ষতির পরিমাণ ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ টাকা)। উক্ত মোকদ্দমা টিতে বিজ্ঞ আদালত দঃ বিঃ ৪২০ ধারায় আমলে গ্রহন করেন এবং অভিযোগ গঠন পূর্বক বিচার আমলে তিন জন স্বাক্ষির জবান বন্দি ও জেরা গ্রহন করিয়া আপিককারী আসামীকে গত ০৭/০৭/২৪ ইং তারিখে দঃ বিঃ ৪২০ ধারায় দোষি সাব্যস্ত করিয়া ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ প্রদান করেন।
উক্ত রায় ও আদেশ দ্বারা আসামী ক্ষতিগ্রস্ত হইয়া নিম্ন হেতুবাদের আলোকে আপিল দায়ের করিতেছেন।
বিধায় প্রার্থনাক হাজতি আপিলকারি আসামীর অত্র আপীল মোকদ্দমা গ্রহন করতঃ নিম্ন আদালতের নথি তলব পূর্বক ন্যায়ানুগ আদেস দান সহ আপিল শুনানি পূর্বক হাজতি আসামীর বিরুদ্ধে আনিত গত ০৭/০৭/২৪ তারিখের আদেশ রদ রহিতের প্রার্থনা মঞ্জুরের আদেশ দানে সুবিচারে মর্জি হয়। ইতি। তাং- ০১/১২/২৪ ইং।
হেতুবাদ সমূহ
১। আপিলকারী আসামী সম্পুর্ন নির্দোষ এবং তাহার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নহে এবং বিজ্ঞ নিম্ন আদালত সঠিক বিষয় টি উপলব্ধি করিতে ব্যার্থ হইয়া আপিলকারী আসামীর বিরুদ্ধে যে আদেশ প্রদান করিয়াছেন উহা রদ রহিত যোগ্য অর্থাৎ আপিল মঞ্জুর যোগ্য।
২। বিজ্ঞ নিম্ন আদালতে প্রদত্ত স্বাক্ষিগনের স্বাক্ষের যথাযথভাবে বিশ্লেষন করিতে ব্যার্থ্য হইয়া যে রায় প্রদান করিয়াছেন উহা রদ রহিত যোগ্য অর্থাৎ আপিল মঞ্জুর যোগ্য।
৩। নিম্ন আদালতে প্রদত্ত স্বাক্ষিদের জবানবন্দি একে অপরের সম্পূরক না হওয়ায় বিষয়টি সন্দেহ জনক হওয়ায় আপিল মঞ্জুর যোগ্য।
৪। বিজ্ঞ নিম্ন আদালত অনেক কিছু সহজাতভাবে বিশ্বাস স্থাপন করিয়া বিজ্ঞ আদালত যে রায় প্রদান করিয়াছে তাহা রদ রহিত যোগ্য বিবেচনায় আপিল মঞ্জুর যোগ্য।
৫। অন্যান্য হেতুবাদ সমূহ আপীল শুনানিকালে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা হইবে।



