আসামীকে একটা খুনের মামলায় শুধুমাত্র চোরাইমাল হেফাজতে রাখার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হইয়াছে। পুলিশ ও তাহার রিপোর্টে সেটাই উল্লেখ করিয়াছে। এখন সেই আসামীর জামিনে দরখাস্ত নিম্ন আদালতে নামঞ্জুর হলে নিম্নলিখিত ভাবে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি কার্য্যবিধির ৪৯৮ ধারা মতে মিসকেস দাখিল করতে পারেন।
মোকাম জেলা ও দায়রা জজ আদালত, নাটোর
ফৌঃ মিস কেস নং: /২৬
সূত্র- বড়াইগ্রাম থানার মামলা নং- ০৫, তাং- ০৬/১০/২৫ইং
জি আর নং- ২৭৬/২৫ (বড়াই)
ধারা- ৩০২/৩৮২/৩৪ দঃ বিঃ
| দরখাস্তকারী ১। মোঃ মিনারুল ইসলাম পিতা : মোঃ অহিদুল ইসলাম সাং : মাঝগাঁও বুক্কার মোড় থানা : বড়াইগ্রাম জেলা : নাটোর | বনাম | প্রতিপক্ষ রাষ্ট্র পক্ষে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নাটোর |
দরখাস্তকারী হাজতি আসামি ১। মোঃ মিনারুল ইসলাম-এর পক্ষে ফৌঃ কাঃ বিঃ ৪৯৮ ধারার বিধানমতে জামিনের প্রার্থনা।
মাননীয় আদালতে হাজতি দরখাস্তকারী আসামি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, সূত্রের মোকদ্দমাটি বড়াইগ্রাম থানায় গত ০৬/১০/২০২৫ ইং তারিখে এজাহারভুক্ত হইলে উক্ত আসামি বিজ্ঞ নিম্ন আদালতে ২০/০৪/২০২৬ ইং তারিখে জামিনের দরখাস্ত করেন। কিন্তু বিজ্ঞ নিম্ন আদালত দরখাস্তকারী আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন। বিজ্ঞ নিম্ন আদালতের উক্তরূপ আদেশে দরখাস্তকারী আসামি ক্ষতিগ্রস্ত হইয়া নিম্নলিখিত হেতুবাদে অত্র জামিনের দরখাস্ত আনয়ন করিতে বাধ্য হইলেন।
বিধায় প্রার্থনা, ন্যায়বিচারের স্বার্থে ও নিম্নে বর্ণিত হেতুবাদে হাজতি দরখাস্তকারী আসামির পক্ষে অত্র জামিনের দরখাস্ত গ্রহণকরতঃ প্রয়োজনীয় আদেশ দানপূর্বক চূড়ান্ত শুনানি অন্তে হাজতি দরখাস্তকারী আসামিকে যে কোনো শর্তে ও যে কোনো জামানতে জামিনের আদেশ দিয়া সুবিচার করিতে মর্জি হয়। ইতি। তাং- ০৭/০৫/২০২৬ ইং।
হেতুবাদ সমূহ
১। যেহেতু হাজতি দরখাস্তকারী আসামি সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নহে বিবেচনায় আসামি জামিনে মুক্তি পাইতে হকদার।
২। আসামি দীর্ঘদিন যাবত বিনা বিচারে হাজতাবদ্ধ থাকিয়া মানবেতর জীবন যাপন করিতেছে বিবেচনায় জামিনে মুক্তি পাইতে হকদার।
৩। এজাহারে দরখাস্তকারী আসামির নাম নাই এমনকি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক কোন জবানবন্দী নাই, শুধুমাত্র সন্দেহের বশবর্তী হইয়া তাহাকে মামলায় সংযুক্ত করা হইয়াছে বিবেচনায় উক্ত আসামি জামিনে মুক্তি পাইতে হকদার।
৪। আসামির স্থায়ী ঠিকানা বিদ্যমান থাকায় জামিনে মুক্তি পাইলে হারানো বা পালানোর কোন সম্ভাবনা নাই বিবেচনায় দরখাস্তকারী হাজতী আসামি জামিন পাইতে হকদার বটে।
৫। দরখাস্ত আসামির বিরুদ্ধে ৩০২ ধারার কোন উপাদান নাই এবং ৪১৪ ধারার অভিযোগ থাকিলেও যাহার সর্বোচ্চ সাজা ৩ বছরের কারাদণ্ড বিবেচনায় আসামি জামিনে মুক্তি পাইতে হকদার বটে।
৬। অন্যান্য হেতুবাদ সমূহ চূড়ান্ত শুনানিকালে মাননীয় আদালতে উপস্থাপন করা হইবে।
মিসকেস PFD ফাইল টি দেখুন এবং ডাউনলোড করুন
শুধুমাত্র-চোরাইমাল-হেফাজতে-রাখার-মিস-কেস



