দোকান ভাড়া চুক্তির নমুনা
দোকান ভাড়া চুক্তির নমুনা

দোকান ভাড়া চুক্তির নমুনা । Dokan vara agreement in bangla pdf

দোকান ভাড়া চুক্তির নমুনা খুজছেন? দোকান ভাড়া দেয়ার সময় দোকার ভাড়া চুক্তি নামা করে নেয়া খুবই জরুরী একটা কাজ। দোকান ভাড়ার ডিড করা থাকলে পরবর্তীতে দোকানের মালিক ও দোনানের ভাড়াটিয়ার মধ্যে কোন সমস্যা দেখা যায় না। তাই দোকানে ভাড়া দেয়ার পূর্বে দোকান ভাড়ার চুক্তি করে নেয়া আবশ্যক।

আজকে আমি দেখাবো একটা দোকান ভাড়া দেয়ার জন্য কিভাবে Dokan vara cukti nama লিখেতে হয় সেটা।

আজকের এই পোষ্টে পেয়ে যাবেন, দোকান ভাড়া দেয়ার চুক্তি নামা কিভাবে লিখে এফিডেভিট করে দিতে হয়। দোকান ভাড়ার ডিডে কি কি বিষয় উল্লেখ করতে হয় সে বিষয় সম্পর্কে।

দোকান ভাড়ার চুক্তি পত্রে এই বিষয় গুলো উল্লেখ করলে কখনি ভাড়াটিয়ার সাথে দোকান মালিকের সমস্যা হবে না।

নিচে দোকান ভাড়ার চুক্তি নামার একটি আদর্শ ফরম্যাট দেয়া হলো যেটার তথ্য গুলো ইডিট করেই আপনি খুব সহজে একটি দোকান ভাড়ার ডিড নিজে নিজেই লিখতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে- দোকান ভাড়ার চুক্তি নামা অবশ্যই ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করবেন।

অফিস/দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র

প্রথম পক্ষ (দাতা) : দোকান মালিকের নাম, পিতার নাম:…………………, মাতার নাম:………………. সাং- ………………………………………………….। পেশা: ব্যবসা, ধর্ম: ইসলাম/হিন্দু, জাতীয়তা: বাংলাদেশী। জাতীয় পরিচয় পত্র নং- ……………………..।

দ্বিতীয় পক্ষে (গ্রহীতা) : [ভাড়াটিয়ার নাম অথবা কোম্পানী এর পক্ষে চেয়ারম্যান] ………………., পিতা- ……………………….., সাং- ……………………….., পেশা: ব্যবসা, ধর্ম: ইসলাম, জাতীয়তা: বাংলাদেশী, জাতীয় পরিচয় পত্র নং- ………..।

ধর্মত প্রতিজ্ঞা পূর্বক এই মর্মে ঘোষনা করিতেছি যে, আমি প্রথম পক্ষ নিম্ন তফসিল বর্ণিত দোকান/অফিস ঘরের মালিক এবং ভোগ দখলে স্বত্ববান আছি। আমি আমার দোকান/অফিস ঘরটি ভাড়া দেওয়ার সহরত দিলে আপনি দ্বিতীয় পক্ষ (গ্রহীতা) উহা নিম্ন বর্নিত শর্তসাপেক্ষে মাসিক ভাড়ায় গ্রহণ করিতে সম্মত হন। উভয় পক্ষের মধ্যে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে এবং স্বাক্ষীগনের উপস্থিতিতে তফসিল বর্ণিত দোকান/অফিসটি নিম্ন শর্ত সাপেক্ষে দোকান ভাড়া চুক্তি সম্পন্ন করা হইল।

শর্তাবলী

২। দ্বিতীয় পক্ষ/ভাড়াটিয়া অগ্রিম জামানত হিসাবে প্রথম পক্ষ/মালিক বরাবরে ২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা প্রদান করিয়াছেন। ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে ২৩ জুন ১৯৯৬ ইং হইতে আগামী ০১ (এক) বছর পর্যন্ত মাসিক ভাড়া হিসাবে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা প্রদান করিবেন।

৩। প্রতিমাসের দোকানভাড়া পরবর্তী মাসের ৯ (নয়) তারিখের মধ্যে ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন।

৪। দ্বিতীয় পক্ষ টয়লেট, পানি, বিদ্যুৎ সহ আনুসাঙ্গিক সুবিধাদি ভোগ করিবেন।

৫। দ্বিতীয় পক্ষ ব্যবহৃত বিদ্যুৎ ও পানি বিল সয় ব্যাবসা সম্পর্কিত অন্যান্য খরচ নিজ দায়িত্বে পরিশোধ করিবেন।

৬। দ্বিতীয় পক্ষ চুক্তির মেয়াদকাল শেষ হইবার পূর্বে দোকান/অফিস ছাড়িয়া দিতে চাহিলে ২ (দুই) মাস পূর্বে প্রথম পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিতে হইবে।

৭। অত্র চুক্তিনামার যাবতীয় শর্তাবলি উভয়পক্ষ মানিয়া চলিবে এবং মেয়াদ শেষে উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে চুক্তিনামাটি নবায়ন করা যাইবে।
৮। দ্বিতীয় পক্ষ দোকানে বা অফিসে কোন নিষিদ্ধ মালামাল বিক্রয় করিতে পারিবে না। যদি কোন নিষিদ্ধ জিনিস বিক্রয় করে এবং আইনি ঝামেলায় পড়ে তাহলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার দ্বিতীয় পক্ষ বহন করিবে।

৯। উভয় পক্ষ চুক্তির শর্তাবলী মানতে বাধ্য থাকিবে। কোন পক্ষ কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে উক্ত চুক্তিপত্র বাতিল হতে পারে।

দোকান/ অফিসের তফসিল

জেলা: নাটোর, থানা: বড়াইগ্রাম, লক্ষীকোল বাজার পৌর সুপার মার্কেট অবস্থিত … ভবনের নীচ তলা ২২ নং দোকান/অফিস ঘরটি অত্র চুক্তিপত্র দলিল দ্বারা আমি প্রথম পক্ষ ভাড়া দিলাম এবং আমি ভাড়াটিয়া হিসাবে দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়া নিলাম।

সত্যপাঠ

       উপরোক্ত বর্ননা সমূহ সম্পুর্নরুপে সত্য মানিয়া অদ্য আপনার মোকামে হাজির হইয়া নিজ ছবি সংযোজন পূর্বক অত্র দোকান/অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র সম্পাদন করিয়া দিলাম। ইতি। তাং- [তারিখ দিন]

স্বাক্ষীগনের স্বাক্ষর ১।   ২।   ৩।  ১ম পক্ষের স্বাক্ষর   ২য় পক্ষের স্বাক্ষর

দোকান ভাড়ার চুক্তি পত্রের নমুনা PDF নিচে দেয়া হলো-

বিশেষ নোট-

১। দোকান ভাড়ার চুক্তিটি ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করতে হয়।

২। দোকান ভাড়ার চুক্তিটি আপনি চাইলে এডভোকেটের মাধ্যমে নোটারি করে নিতে পারেন অথবা নাও পারেন।

৩। ফাইলটি অভ্র দিয়ে কালপুরুষ ফন্টে লিখা হয়েছে

আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের ইউটিউব চ্যানেল টি সাবস্ক্রাইব করুন- চ্যানেল লিংক নিচে দেয়া হইলো-

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল লিংক- https://www.youtube.com/@LawyerMridul